Celebrate

BD Legal News https://bdlegalnews.blogspot.com/2020/05/blog-post_5.html

মুড়ি খেয়ে সেহরি এবং পানি খেয়ে ইফতার করে কাটছে দুই অসহায় প্রতিবন্ধীর জিবন




অসহায় দুই প্রতিবন্ধীর সাহায্যের আবেদন যখন চার দেয়ালে বন্ধি!! তখন অনাহারেই চলছে তাদের জিবন ব্যাবস্থা! ঘটনাটি নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানার শাহী মসজিদ এলাকার একটি অসহায় পরিবারের!! দুই ভাই শারীরিক ভাবে বিকলাঙ্গ(প্রতিবন্ধী) হলেও কথা বলতে পারে ইমরান, তবে হাটা চলা করতে অক্ষম!!

তার ছোট ভাইয়ের অবস্থা আরও করুন, সংক্ষিপ্ত ভাবে তাকে পূর্নাঙ্গ বা সার্বিক প্রতিবন্ধী বলা যায়, শারীরিক সার্বিক অক্ষমতার পাশাপাশি বধির এমনকি কথা বলতেও পারে না!!! বাবা মা বৃদ্ধ হলেও দু মুঠো খাবার যোগান দেন তারা! বর্তমান করোনা পরিস্থিতি যেনো তাদের জন্য জমদূতের আবির্ভাব! আর্থিক ভাবে অসচ্ছলতা এবং দারিদ্রতার কারনেই স্ব-পরিবারে শুকনো মুড়ি দিয়ে সেহরি এবং পানি দিয়ে ইফতার করে বেচে আছেন।

বাহারি আইটেম দিয়ে সেহরি বা ইফতার নয়! নুন দিয়ে দু মুঠো অন্ন-ই যেনো হয় তাদের পরম পাওয়া!! স্থানীয় এলাকায় দ্বারে দ্বারে ত্রান মেলেনি! না মিলেছে হটলাইনের জরুরী সেবা! ফেসবুকে সাহায্যের আবেদন করায় বিরুপ মন্তব্য যেনো তাদের হতাশার অন্তিম পর্ব!! ত্রান চাওয়াটাও যেনো এখন একটি অজানা আতঙ্ক!

ফলে এভাবেই পার হচ্ছে তাদের দূর্দিন!!! সোস্যাল মিডিয়ায় দুই ভাইয়ের করুন সাহায্যের আবেদন নিম্ন স্বরুপঃ পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে যদি কোনোও হৃদয়বান ব্যাক্তি আমাদের সার্বিক অক্ষমতার কথা ভেবেও দু মুঠো খাবারের ব্যাবস্থা করেন! সারা দিন রোজা শেষে ইফতার সামনে নিয়ে দোয়া করবো, ক্ষুধার যন্ত্রণা নিবারণে যে দরদী সাহায্য করবেন প্রতিটি
রমজানেই আপনাদের জন্য দোয়া করবো, আমরা ভালো খেতে চাই না, মাছ মাংশ চাই না,

না ইফতারের জন্যও ছোলা মুড়ি, শুধু অন্তত দু মুঠো ডাল ভাত, লবন পানি দিয়ে সেহরী খেয়ে রোজা থাকার জন্য সাহায্য করেন, চির কৃতজ্ঞ থাকিবো, এবং প্রান ভরে স্ব-পরিবারে দোয়া করবো। সাহায্য কামনায় অসহায় প্রতিবন্ধী ইমরান আহমেদ।


দেশে করোনাভাইরাসের হটস্পট হিসেবে পরিচিত নারায়ণগঞ্জে প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে মারা গেছে ৫০ জন। প্রতিদিনই বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা।

করোনার ক্লাস্টার এলাকা নারায়ণগঞ্জে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে শিল্প-কারখানা খুলে দেয়ার ঘোষণার পর থেকে নারায়ণগঞ্জে কার্যত লকডাউন বলতে আর কিছুই অবশিষ্ট নেই।

কয়েক লাখ শ্রমিকের কলরবে মুখর হয়ে উঠেছে শিল্পাঞ্চলখ্যাত নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা, সিদ্ধিরগঞ্জ, কাঁচপুর এলাকা। শ্রমিকদের কাজে যোগদানের কারণে এসব এলাকায় খুলে গেছে মুদি দোকান থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় সব দোকানপাট।

একই সঙ্গে সোমবার মার্কেট খোলার সিদ্ধান্ত আসার পরপরই নারায়ণগঞ্জের কয়েক হাজার রেডিমেড পোশাক কারখানা, হোসিয়ারি কারখানাসহ ছোট ছোট শিল্প প্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

তাছাড়া লকডাউনের মধ্যেই নারায়ণগঞ্জে আটা-ময়দা, তেল, ডাল, লবণসহ নিত্যভোজ্য ও খাদ্যসামগ্রীর ৪ শতাধিক ফ্যাক্টরি খোলা ছিল, যেগুলো এখনও চলছে। ফলে কর্মের তাগিদে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নামছেন।

সোমবার সরেজমিন শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, শহরের বিভিন্ন স্থানে খুলতে শুরু করেছে মার্কেটগুলো। সেখানে ক্রেতা কম থাকলেও বিক্রেতারা উপস্থিত। সড়কে সড়কে ইফতারি নিয়ে বসেছে দোকানিরা।

আছে ভ্রাম্যমাণ হকার। খুলেছে ২৪৭টি শিল্প প্রতিষ্ঠান। বন্ধ ঘোষিত সরকারি ঘাটগুলোতে পুলিশ প্রহরা থাকলেও ঘাটের ১০ গজ দূরেই অস্থায়ী ঘাট বানিয়ে পারাপার হচ্ছে হাজার হাজার মানুষ।

১০ জন ধারণ ক্ষমতার ১টি নৌকায় পারাপার হচ্ছেন কমপক্ষে ৫০ জন। ফতুল্লার বিসিক ও সিদ্ধিরগঞ্জের ইপিজেড এলাকায় গিয়ে হাজার হাজার শ্রমিকের বাড়ি ফেরতের ও কর্মস্থলে যোগদানের দৃশ্য দেখলে বোঝার উপায় নেই নারায়ণগঞ্জে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে ২ দিন আগেই।

এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, সত্যি কথাটা অনেক সময় বললেও বিপদ। কিন্তু নারায়ণগঞ্জের পরিস্থিতি দেখে অন্তত এটা বলা যায়, গুচ্ছ সংক্রমণ বা কমিউনিটি ট্রান্সমিশন শুরুর খারাপ সময়ে শিল্প-কারাখানা খোলার মানে হচ্ছে আÍঘাতী।

চলতি মাসে যদি নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দ্বিগুণ করা যায় তবে এর ভয়াবহতা আর বর্ণনা করতে হবে না। এ ব্যাপারে জেলার সিনিয়র গণমাধ্যমকর্মী আবদুল সালাম জানান, মাত্র ১টি গার্মেন্ট ফ্যাক্টরির ন্যূনতম ৫শ’ শ্রমিককে করোনা টেস্ট করানো হোক।

অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

Xcumster
পোস্ট করেছেনঃ Xcumster
পোস্ট ক্যাটাগরিঃ
0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

টেক জান প্রো কী?